ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করার পর থেকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি২০ ক্রিকেট লীগ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যদিও এই টুর্নামেন্টে ব্যাটসম্যানদের আধিপত্য দেখা যায়, তবুও বোলাররাই প্রকৃত ম্যাচ উইনার। একটি প্রচলিত কথা আছে – “ব্যাটসম্যানরা ম্যাচ জেতায়, কিন্তু বোলাররা টুর্নামেন্ট জেতায়।” আইপিএলের ১৮টি সিজনে অনেক বিশ্ব বিখ্যাত বোলার তাদের দক্ষতা ও ধারাবাহিকতার মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।
- শীর্ষ দশ উইকেট শিকারীদের বিস্তারিত বিবরণ
- #যুজবেন্দ্র চাহাল – ২২১ উইকেট
- #ভুবনেশ্বর কুমার – ১৯৮ উইকেট
- #সুনীল নারিন – ১৯২ উইকেট
- #পিয়ুষ চাওলা – ১৯২ উইকেট (অবসরপ্রাপ্ত)
- #রবিচন্দ্রন অশ্বিন – ১৮৭ উইকেট
- #যশপ্রীত বুমরাহ – ১৮৩ উইকেট
- #ডোয়েন ব্রাভো – ১৮৩ উইকেট
- #অমিত মিশ্রা – ১৭৪ উইকেট
- #লসিথ মালিঙ্গা – ১৭০ উইকেট (অবসরপ্রাপ্ত)
- #রবীন্দ্র জাদেজা – ১৭০ উইকেট
- পার্পল ক্যাপ বিজয়ীদের ইতিহাস (২০০৮-২০২৫)
- উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান এবং রেকর্ড
খেলা ডেস্কের আজকের এই নিবন্ধে আমরা জানবো ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আইপিএল ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেট কার। ভারতীয় লেগ-স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল আইপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক হিসেবে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন, যার মোট উইকেটের সংখ্যা ২২১ (২০২৫ আইপিএল পর্যন্ত)। তিনি ২০২৪ সালে প্রথম বোলার হিসেবে আইপিএলে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন তিনি বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলে এই অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।
শীর্ষ দশ উইকেট শিকারীদের বিস্তারিত বিবরণ
ভারতের লেগ স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার। ২০১৩ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএলে অভিষেক হলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে খেলার সময় তিনি সবচেয়ে বেশি সফলতা পান। পরবর্তীতে রাজস্থান রয়্যালস এবং সাম্প্রতিক সময়ে পাঞ্জাব কিংসের হয়ে খেলছেন।
#যুজবেন্দ্র চাহাল – ২২১ উইকেট
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট | ১৭৪ ম্যাচ |
| মোট | ২২১ উইকেট |
| বোলিং গড় | ২২.৭৬ |
| ইকোনমি রেট | ৭.৯৬ |
| সেরা বোলিং | ৫/৪০ |
| পার্পল ক্যাপ | ১ বার (২০২২ সালে, ২৭ উইকেট) |
| আইপিএল দলসমূহ | মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, রাজস্থান রয়্যালস এবং পাঞ্জাব কিংস |
| বিশেষ অর্জন | আইপিএল ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে ২০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ। |
#ভুবনেশ্বর কুমার – ১৯৮ উইকেট
মেরাঠের সুইং মাস্টার ভুবনেশ্বর কুমার আইপিএল ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। ২০১১ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের হয়ে অভিষেক করলেও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (২০১৪-২০২১) হয়ে খেলার সময় তিনি তার ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করেন। বর্তমানে তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর দলের হয়ে ২০২৬ আইপিএলে দেখা যাবে। তিনি আইপিএলে দ্রুতগতির বল এবং ডেথ ওভারে নিখুঁত ইয়র্কারের জন্য সুপরিচিত।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ১৯০ |
| মোট উইকেট | ১৯৮ |
| বোলিং গড় | ২৭.৩৩ |
| ইকোনমি রেট | ৭.৬৯ |
| সেরা বোলিং | ৫/১৯ |
| পার্পল ক্যাপ | ২ বার (২০১৬ ও ২০১৭) |
| আইপিএল দলসমূহ | পুনে ওয়ারিয়র্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর |
| বিশেষ অর্জন | আইপিএল ইতিহাসের একমাত্র বোলার হিসেবে পরপর দুই সিজনে পার্পল ক্যাপ জয়। |
#সুনীল নারিন – ১৯২ উইকেট
ওয়েস্ট ইন্ডিজের “মিস্ট্রি ম্যান” সুনীল নারিন ২০১২ সাল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার অর্থোডক্স অফ স্পিন, নাকল বল এবং ভ্যারিয়েশন ব্যাটসম্যানদের জন্য সবসময় চ্যালেঞ্জিং। তিনি ইতিহাসে অন্যতম সেরা বোলার, এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ১৮৯ ম্যাচে ১৯২টি উইকেট শিকার করেছেন। তিনি আইপিএলের অন্যতম শীর্ষ উইকেট সংগ্রাহক এবং একটি দলের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ডের খুব কাছাকাছি রয়েছেন। তিনি তার অসাধারণ মিস্ট্রি স্পিন দিয়ে বিপক্ষ ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করতে পরিচিত। আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকার তৃতীয় নাম্বারে অবথান করছেন।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ১৮৯ |
| মোট উইকেট | ১৯২ |
| বোলিং গড় | ২৫.৬৩ |
| ইকোনমি রেট | ৬.৭৯ (শীর্ষ ১০ বোলারের মধ্যে সর্বনিম্ন) |
| সেরা বোলিং | ৫/১৯ |
| আইপিএল দল | কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) |
| বিশেষ ভূমিকা | বিপজ্জনক ওপেনার ব্যাটসম্যান এবং দুইবার চ্যাম্পিয়ন দলে অবদান |
| বিশেষ ক্ষমতা | পাওয়ার প্লেতে ইকোনমিক বোলিং এবং উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা |
#পিয়ুষ চাওলা – ১৯২ উইকেট (অবসরপ্রাপ্ত)
ভারতের লেগ-স্পিনার পীযূষ চাওলা আইপিএলের ইতিহাসে অন্যতম সফল বোলার, যিনি ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১৯২টি ম্যাচ খেলে ১৯২টি উইকেট নিয়েছেন। তিনি পাঞ্জাব কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলেছেন এবং আইপিএলে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। ২০২৫ সালের জুন মাসে তিনি পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেন।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ১৯২ |
| মোট উইকেট | ১৯২ |
| বোলিং গড় | ২৬.৬০ |
| ইকোনমি রেট | ৭.৯৬ |
| সেরা বোলিং | ৪/১৭ |
| আইপিএল দলসমূহ | কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব, কলকাতা নাইট রাইডার্স, চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স |
| শিরোপা জয় | ৩টি (২০১২, ২০১৪ এবং ২০২১) |
| বিশেষ ক্ষমতা | অভিজ্ঞতা, গুগলি এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জুটি ভাঙার দক্ষতা |
#রবিচন্দ্রন অশ্বিন – ১৮৭ উইকেট
রবিচন্দ্রন অশ্বিন আইপিএল ক্যারিয়ারে ২২১টি ম্যাচে ১৮৭টি উইকেট নিয়েছেন। এই অসামান্য কীর্তি গড়ে তিনি আইপিএলের ইতিহাসের সফলতম বোলারদের একজন হিসেবে, আগস্ট ২০২৫-এ আইপিএল থেকে অবসর ঘোষণা করেন। তিনি মূলত চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সফল সময় কাটিয়েছেন এবং একাধিকবার ট্রফি জিতেছেন। এছাড়াও, তিনি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (WTC) ইতিহাসের অন্যতম সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ২২১ |
| মোট উইকেট | ১৮৭ |
| বোলিং গড় | ৩০.২২ |
| ইকোনমি রেট | ৭.২০ |
| সেরা বোলিং | ৪/৩৪ |
| শিরোপা জয় | ২টি (২০১০ ও ২০১১ – সিএসকে-এর হয়ে) |
| বিশেষ দক্ষতা | ক্যারাম বল, ডুসরা এবং কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা |
| বিশেষ পারদর্শিতা | মিডল ওভারে রান নিয়ন্ত্রণ এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেওয়া |
#যশপ্রীত বুমরাহ – ১৮৩ উইকেট
বিশ্বের সেরা ফাস্ট বোলারদের একজন যশপ্রীত বুমরাহ ২০১৩ সাল থেকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মেরুদণ্ড। তার ইউনিক বোলিং অ্যাকশন, পিনপয়েন্ট ইয়র্কার এবং ডেথ ওভার মাস্টারি তাকে অপ্রতিরোধ্য করেছে।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ১৪৫ |
| মোট উইকেট | ১৮৩ |
| বোলিং গড় | ২২.০২ (শীর্ষ ১০ বোলারের মধ্যে সর্বনিম্ন) |
| ইকোনমি রেট | ৭.২৪ |
| সেরা বোলিং | ৫/১০ |
| আইপিএল দল | মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স |
| শিরোপা জয় | ৫টি (২০১৩, ২০১৫, ২০১৭, ২০১৯, ২০২০) |
| বিশেষ দক্ষতা | ডেথ ওভারে ইয়র্কার, স্লো বাউন্সার এবং ভ্যারিয়েশন |
#ডোয়েন ব্রাভো – ১৮৩ উইকেট
“চ্যাম্পিয়ন” ডোয়েন ব্রাভো ওয়েস্ট ইন্ডিজের অলরাউন্ডার এবং আইপিএলের অন্যতম সফল বোলার। চেন্নাই সুপার কিংস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং গুজরাট লায়ন্সের হয়ে খেলেছেন।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ১৬১ |
| মোট উইকেট | ১৮৩ |
| বোলিং গড় | ২৩.৮২ |
| ইকোনমি রেট | ৮.৩৮ |
| সেরা বোলিং | ৪/২২ |
| পার্পল ক্যাপ | ২ বার (২০১৩ ও ২০১৫) |
| শিরোপা জয় | ৩টি (সিএসকে-এর হয়ে) |
| বিশেষ রেকর্ড | ২০১৩ সালে ৩২ উইকেট (এক সিজনে সর্বোচ্চ উইকেটের রেকর্ড) |
| বিশেষ দক্ষতা | স্লো বাউন্সার এবং ডেথ ওভার স্পেশালিটি |
#অমিত মিশ্রা – ১৭৪ উইকেট
দিল্লির লেগ স্পিনার অমিত মিশ্রা আইপিএলের প্রথম সিজন থেকে খেলছেন এবং “হ্যাটট্রিক কিং” হিসেবে পরিচিত। দিল্লি ক্যাপিটালস, ডেকান চার্জার্স, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলেছেন।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ১৬২ |
| মোট উইকেট | ১৭৪ |
| বোলিং গড় | ২৩.৮২ |
| ইকোনমি রেট | ৭.৩৭ |
| সেরা বোলিং | ৫/১৭ |
| বিশেষ রেকর্ড | আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩টি হ্যাটট্রিক (২০০৮, ২০১১, ২০১৩) |
| শিরোপা জয় | ১টি (২০১৬ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে) |
| বিশেষ দক্ষতা | গুগলি, টপস্পিনার এবং ফ্লিপার |
#লসিথ মালিঙ্গা – ১৭০ উইকেট (অবসরপ্রাপ্ত)
শ্রীলঙ্কার “স্লিং কিং” লসিথ মালিঙ্গা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের আইকন এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা টি২০ বোলার। ২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত এমআই-এর হয়ে খেলেছেন। এই কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার (৩৮ বছর বয়সে) সেপ্টেম্বর ২০২১-এ সমস্ত ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন, যিনি মূলত তার লো-স্লিং অ্যাকশন এবং নির্ভুল ইয়র্কারের জন্য পরিচিত। তিনি আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে রেকর্ড ১৭০টি উইকেট নিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি ৫৪৬টি উইকেট নিয়েছেন, যার মধ্যে ওয়ানডেতে ৩৩৮টি। ২০২১ সালে অবসর নেওয়ার আগে তিনি টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন ।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ১২২ |
| মোট উইকেট | ১৭০ |
| বোলিং গড় | ১৯.৭৯ (সর্বনিম্ন) |
| ইকোনমি রেট | ৭.১৪ |
| সেরা বোলিং | ৫/১৩ |
| পার্পল ক্যাপ | ১ বার (২০১১) |
| শিরোপা জয় | ৪টি (মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে) |
| বিশেষ রেকর্ড | আইপিএলে ২ বার হ্যাটট্রিক |
| বিশেষ দক্ষতা | স্লিং অ্যাকশন, ইয়র্কার এবং ডেথ ওভার ব্রিলিয়ান্স |
#রবীন্দ্র জাদেজা – ১৭০ উইকেট
ভারতের সর্বকালের সেরা ফিল্ডার এবং অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা চেন্নাই সুপার কিংসের মেরুদণ্ড। তার লেফট আর্ম স্পিন, ব্যাটিং এবং ম্যাজিক্যাল ফিল্ডিং তাকে সম্পূর্ণ প্যাকেজ করেছে।
| আইপিএল ক্যারিয়ার | পরিসংখ্যান |
| মোট ম্যাচ | ২৫৪ (সবচেয়ে বেশি) |
| মোট উইকেট | ১৭০ |
| বোলিং গড় | ৩০.৫১ |
| ইকোনমি রেট | ৭.৬৭ |
| সেরা বোলিং | ৫/১৬ |
| শিরোপা জয় | ৫টি (২০১০, ২০১১, ২০১৮, ২০২১, ২০২৩ – সিএসকে-এর হয়ে) |
| বিশেষ ক্ষমতা | মিডল ওভারে ইকোনমিক্যাল বোলিং এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেওয়া |
পার্পল ক্যাপ বিজয়ীদের ইতিহাস (২০০৮-২০২৫)
পার্পল ক্যাপ প্রতি সিজনে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীকে দেওয়া হয়। প্রথম পার্পল ক্যাপ ২০০৮ সালে পাকিস্তানের সোহেল তানভীর জিতেছিলেন, যিনি রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ১১ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়েছিলেন এবং দলকে প্রথম চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিলেন।
দুইবার পার্পল ক্যাপ বিজয়ী:
- লসিথ মালিঙ্গা (২০১১, মুম্বাই) – ২৮ উইকেট
- ডোয়েন ব্রাভো (২০১৩, ২০১৫, চেন্নাই) – ৩২ এবং ২৬ উইকেট
- ভুবনেশ্বর কুমার (২০১৬, ২০১৭, হায়দরাবাদ) – ২৩ এবং ২৬ উইকেট [পরপর দুই সিজনে]
- হর্ষল প্যাটেল (২০২১ আরসিবি, ২০২৪ পিবিকেএস) – ৩২ এবং ২৪ উইকেট
ভারতীয় পার্পল ক্যাপ বিজয়ী: ৯ জন (আরপি সিং, ভুবনেশ্বর কুমার (২ বার), অমিত মিশ্রা, মোহিত শর্মা, হর্ষল প্যাটেল (২ বার), ইউজভেন্দ্র চাহাল, মোহাম্মদ শামী, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা)
উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান এবং রেকর্ড
হ্যাটট্রিক রেকর্ড:
- আইপিএল ইতিহাসে মোট ২৩টি হ্যাটট্রিক হয়েছে
- প্রথম হ্যাটট্রিক: লক্ষ্মীপতি বালাজি (২০০৮, চেন্নাই)
- সর্বশেষ হ্যাটট্রিক: ইউজভেন্দ্র চাহাল (২০২৫, পাঞ্জাব)
- সবচেয়ে বেশি হ্যাটট্রিক: অমিত মিশ্রা – ৩টি
ফাইভ-ফোর রেকর্ড:
- মোট ৩৭টি ফাইভ উইকেট হল
- সবচেয়ে বেশি ৫-উইকেট: লসিথ মালিঙ্গা এবং কাগিসো রবাডা – ৬টি করে
- সবচেয়ে বেশি ৪-উইকেট: ইউজভেন্দ্র চাহাল – ৮টি
ডাবল অ্যাওয়ার্ড (পার্পল ক্যাপ + আইপিএল ট্রফি একই সিজনে):
- সোহেল তানভীর (২০০৮, রাজস্থান)
- আরপি সিং (২০০৯, ডেকান)
- ভুবনেশ্বর কুমার (২০১৬, হায়দরাবাদ)


